প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 4, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 20, 2025 ইং
গুলশানের ৫ ফার্মেসিকে লক্ষাধিক ঢাকা জরিমানা

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ও অনুমোদনবিহীন ওষুধ আমদানি ও বিক্রয়ের দায়ে রাজধানী গুলশানের পাঁচ ফার্মেসিতে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স-এএমআর সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে।
র্যাবের উপস্থিতি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. জুবায়ের নেতৃত্বে অভিযানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শায়লা নওশাদ, ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক রোমেল মল্লিক, ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মো. ইমরান হোসেন এবং ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক তানজিরা আইরিন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. জুবায় বলেন, অভিযান পরিচালনা করতে এসে হাতেনাতে প্রমাণ পেলাম চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করছে। গুলশান-১ অভিযানে ইসলামিয়া ফার্মেসি, গুলশান ফার্মা, বরিশাল ফার্মা ও লাজ ফার্মাকে ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০ এর (ঘ) ধারা মোতাবেক ২০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৮০ হাজার টাকা এবং তামান্না ফার্মেসিতে সরকারের অনুমোদনবিহীন বিদেশি ওষুধ আমদানি ও বিক্রয়ের দায়ে ৪০ (খ) এবং ৪১ (২) ধারা মোতাবেক মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মনির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাংলাদেশ ৯৮ শতাংশ ওষুধ নিজেরাই উৎপাদন করে এবং এসব ওষুধ মানসম্পন্ন। বাকি ২ শতাংশের ক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসন অনুমোদন দিয়ে থাকে।
যে ওষুধগুলো বাংলাদেশে পর্যাপ্ত রয়েছে তা অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এখন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির পথে এক বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক বঙ্গজননী